Home
AppsAboutBlogClientsContact
Home/Citizen Services/Passport Service
🛂Citizen ServicesLast updated: 2026-08-19

ই-পাসপোর্ট সেবাPassport Service

বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট এখন সম্পূর্ণ অনলাইনে আবেদন করা যায়। ঘরে বসে ফর্ম পূরণ, ফি পরিশোধ থেকে বায়োমেট্রিক পর্যন্ত — আবু তালিব স্টুডিও সঠিকভাবে আবেদন সম্পন্ন করতে ধাপে ধাপে সহায়তা করে।

Passport application, re-issue, information correction, express & regular service.

Service Overview

নতুন আবেদন, পুনরায় ইস্যু, সংশোধন ও সংগ্রহ সহায়তাসহ সম্পূর্ণ পাসপোর্ট সেবা। আমরা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট ও এমআরপি পাসপোর্ট — উভয় সেবাই পরিচালনা করি।

আমাদের সেবার মধ্যে রয়েছে অনলাইন ফর্ম পূরণ, পাসপোর্ট অফিসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং, ডকুমেন্ট চেকলিস্ট ও যাচাই, আবেদন ট্র্যাকিং এবং প্রসেসিং শেষে পাসপোর্ট সংগ্রহ। আমরা রেগুলার ও এক্সপ্রেস (টতকাল/জিফ্রেম) — উভয় সেবাই দিই।

আমরা প্রতিটি ধাপে আপনাকে গাইড করি যাতে আপনার আবেদন প্রথমবারেই সঠিক হয় — দেরি ও রিজেকশন রোধ হয়। পাসপোর্ট অফিসে শুধু বায়োমেট্রিক ও ইন্টারভিউয়ের জন্য আপনার শারীরিক উপস্থিতি প্রয়োজন।

বাংলায় বিস্তারিত — ই-পাসপোর্ট সেবা

ই-পাসপোর্ট (e-Passport) হলো বাংলাদেশ সরকারের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত আধুনিক ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট, যাতে একটি চিপে আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য ও ব্যক্তিগত বিবরণ নিরাপদে সংরক্ষিত থাকে। এটি আন্তর্জাতিক মানের, জালিয়াতি প্রতিরোধী এবং বিশ্বের অধিকাংশ দেশে দ্রুত গ্রহণযোগ্য।

ভালো খবর হলো, ই-পাসপোর্টের আবেদন এখন সম্পূর্ণ অনলাইনে করা যায়। কাগজপত্র সত্যায়ন বা ছবি সংযোজনের ঝামেলা নেই — তবে ফর্ম পূরণে সামান্য ভুলও আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে, আর ফর্ম সংশোধনের সুযোগ সীমিত। তাই শুরু থেকেই সঠিক তথ্য দেওয়া জরুরি।

আবু তালিব স্টুডিও একটি স্বাধীন সেবা প্রদানকারী। আমরা সরকারি ফি আলাদা রাখি এবং অনলাইন ফর্ম পূরণ, ডকুমেন্ট যাচাই, ফি পরিশোধে সহায়তা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও স্ট্যাটাস ট্র্যাকিংয়ে আপনাকে নির্ভরযোগ্য সহায়তা দিই — যাতে দালালের ঝামেলা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট পান।

Official Information

Independent service provider: Abu Talib Studio is an independent private service provider. We are not a government portal or government office. We assist clients with application, documentation, and follow-up for official processes.

Government authority: Department of Immigration and Passports, Government of Bangladesh

Official portal: https://www.epassport.gov.bd

Government fee: Government passport fees apply for regular and express (Gframe) processing, paid directly to the passport office. (paid directly to the government authority — this is separate from the Abu Talib Studio service fee)

What's Included

অনলাইন ফর্ম পূরণ
অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং
ডকুমেন্ট চেকলিস্ট ও যাচাই
পাসপোর্ট সংগ্রহে সহায়তা
এক্সপ্রেস (জিফ্রেম) সেবা
রেগুলার সেবা
তথ্য সংশোধন

How It Works

1

অনলাইন আবেদন

পাসপোর্ট পোর্টালে ফর্ম পূরণ ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং

2

ডকুমেন্ট চেক

সব ডকুমেন্ট সঠিক আছে কিনা প্রস্তুত ও যাচাই

3

বায়োমেট্রিক

বায়োমেট্রিক ও ইন্টারভিউয়ের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যান

4

পাসপোর্ট

পাসপোর্ট উৎপাদন ও সংগ্রহে সহায়তা

Pricing Plans

Abu Talib Studio professional service fee. Any government application fees are separate and paid directly to the relevant authority.

রেগুলার

স্ট্যান্ডার্ড প্রসেসিংসহ রেগুলার পাসপোর্ট আবেদন

৳4,000

১৫-২৫ দিন

  • ফর্ম পূরণ
  • ডকুমেন্ট চেক
  • অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং
  • আবেদন ট্র্যাকিং
  • সংগ্রহ সহায়তা
  • ইমেইল সাপোর্ট

এক্সপ্রেস

প্রায়োরিটি প্রসেসিংসহ এক্সপ্রেস পাসপোর্ট (জিফ্রেম)

৳10,000

৫-১০ দিন

  • ফর্ম পূরণ
  • ডকুমেন্ট চেক
  • এক্সপ্রেস অ্যাপয়েন্টমেন্ট
  • প্রায়োরিটি প্রসেসিং
  • সংগ্রহ সহায়তা
  • ফোন সাপোর্ট
  • ফাস্ট ট্র্যাক

What We Need From You

1
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
2
জন্ম নিবন্ধন (১৮ বছরের কম হলে)
3
পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাম্প্রতিক, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
4
পুরনো পাসপোর্ট (পুনরায় ইস্যুর জন্য)
5
পিতা ও মাতার এনআইডি (প্রযোজ্য হলে)

We will help you gather these documents if needed.

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (বাংলা)

ই-পাসপোর্ট আবেদন কি অনলাইনে করা যায়?
হ্যাঁ, epassport.gov.bd পোর্টালে ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন করা যায়। কাগজপত্র সত্যায়ন বা ছবি সংযোজনের প্রয়োজন হয় না।
ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?
৪৮ পৃষ্ঠা ৫ বছরের সাধারণ পাসপোর্ট ৪,০২৫ টাকা; জরুরি ৬,৩২৫ টাকা; অতি জরুরি ৮,৬২৫ টাকা। ১০ বছর মেয়াদ ও ৬৪ পৃষ্ঠায় ফি বেশি।
পাসপোর্ট পেতে কত দিন লাগে?
রেগুলার আবেদনে তথ্য সঠিক থাকলে সাধারণত ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
১৮ বছরের কম বয়সীদের কী কী লাগে?
অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC — ইংরেজি ভার্সন) এবং পিতা বা মাতার NID নম্বর বাধ্যতামূলক। পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ বছর।
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কী করব?
দ্রুত নিকটস্থ থানায় জিডি করুন এবং পুরোনো পাসপোর্টের ফটোকপি ও জিডি কপিসহ নতুন আবেদন করুন।
ফর্মে ভুল হলে কি সংশোধন করা যায়?
সাধারণত নয়, তাই সাবমিটের আগে সতর্কতার সঙ্গে তথ্য যাচাই করা জরুরি। আমাদের সহায়তায় ভুলের ঝুঁকি এড়ানো যায়।

Frequently Asked Questions

পাসপোর্ট পেতে কত সময় লাগে?
রেগুলার পাসপোর্ট ১৫-২৫ কার্যদিবস। এক্সপ্রেস (জিফ্রেম) পাসপোর্ট ৫-১০ কার্যদিবস।
পাসপোর্ট অফিসে কি যেতে হবে?
হ্যাঁ, বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) ও ছবির জন্য। আমরা সব কাগজপত্র করি যাতে প্রথম ভিজিটেই আপনি সঠিকভাবে সাবমিট করতে পারেন।
ই-পাসপোর্ট ও এমআরপির মধ্যে পার্থক্য কী?
ই-পাসপোর্টে আপনার বায়োমেট্রিক ডেটাসহ ইলেকট্রনিক চিপ থাকে। এমআরপি হলো পুরনো মেশিন-রিডেবল পাসপোর্ট। বাংলাদেশ এখন ৫ ও ১০ বছর মেয়াদের ই-পাসপোর্ট ইস্যু করে।
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কি পাসপোর্ট নবায়ন করা যায়?
হ্যাঁ, মেয়াদ শেষ হওয়ার ১ বছর আগ পর্যন্ত পুনরায় ইস্যুর আবেদন করা যায়। মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ৬ মাস আগে নবায়ন করা ভালো।

Starting from

৳4,000 - 10,000

5-25 working days

Quick Inquiry

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট (e-Passport) আবেদন — সম্পূর্ণ গাইড

বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ করেছে। এখন ঘরে বসেই নিজের পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়, তবে সঠিক প্রক্রিয়া না জানলে সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হতে পারে। নিচে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সম্পূর্ণ ধাপ, খরচ ও সতর্কতা তুলে ধরা হলো।

ই-পাসপোর্ট আবেদনের ৫টি ধাপ

  1. অনলাইন ফর্ম পূরণ: epassport.gov.bd পোর্টালে গিয়ে জেলা ও থানা নির্বাচন করে নাম, জন্মতারিখ, NID নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।
  2. ফি পরিশোধ: বিকাশ, নগদ, ব্যাংক কার্ড বা অনুমোদিত ব্যাংকে ফি জমা দিন এবং রসিদ সংরক্ষণ করুন।
  3. বায়োমেট্রিক: নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ছবি, আঙুলের ছাপ ও স্বাক্ষর প্রদান করুন।
  4. ডেলিভারি: তথ্য সঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি হয়।
  5. স্ট্যাটাস চেক: পোর্টালে জন্মতারিখ ও আবেদন নম্বর দিয়ে অগ্রগতি দেখুন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • ১৮ বছরের বেশি হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) — মূল কপি
  • ১৮ বছরের কম হলে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC — ইংরেজি ভার্সন)
  • পিতা-মাতার NID বা মৃত্যু সনদ
  • জাতীয়তা সনদপত্র
  • শিক্ষাগত সনদ বা ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য হলে)
  • হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে জিডি কপি

ই-পাসপোর্ট ফি (২০২৬)

৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর মেয়াদ — সাধারণ ৪,০২৫ টাকা, জরুরি ৬,৩২৫ টাকা, অতি জরুরি ৮,৬২৫ টাকা। ৪৮ পৃষ্ঠা, ১০ বছর মেয়াদ — সাধারণ ৫,৭৫০ টাকা, জরুরি 8,০৫০ টাকা, অতি জরুরি ১০,৩৫০ টাকা। ৬৪ পৃষ্ঠার ক্ষেত্রে ফি আরও বেশি। প্রবাসীদের জন্য ফি ডলারে নির্ধারিত।

কত দিনে পাসপোর্ট পাওয়া যায়

দেশের অভ্যন্তরে রেগুলার আবেদনে সব তথ্য সঠিক থাকলে সাধারণত ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হয়। জরুরি ও অতি জরুরি ক্ষেত্রে আরও দ্রুত পাওয়া যায়।

যেসব ভুল এড়িয়ে চলুন

নামের বানান, জন্মতারিখ ও NID নম্বরে ভুল হলে আবেদন বাতিল হতে পারে। তাই ফর্ম সাবমিটের আগে প্রতিটি তথ্য মিলিয়ে নিন। ফর্মে ভুল সংশোধনের সুযোগ প্রায় নেই বললেই চলে। আবু তালিব স্টুডিও ফর্ম পূরণে ও কাগজপত্র যাচাইয়ে সহায়তা করে, ফলে ভুলের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ সারা বাংলাদেশে আমরা পাসপোর্ট আবেদন সেবা দিয়ে থাকি — দালাল নয়, সঠিক প্রক্রিয়ায় আপনার পাসপোর্ট।

পাসপোর্ট তৈরি — ই-পাসপোর্ট আবেদন ও নবায়ন বাংলাদেশ

আবু তালিব স্টুডিও বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট তৈরি, নবায়ন এবং সংশোধনে সম্পূর্ণ সহায়তা করে। আমরা অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যাচাই, ফি জমাদান, এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করি। নতুন পাসপোর্ট তৈরি, মেয়াদ উত্তীর্ণ পাসপোর্ট নবায়ন, এবং তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সার্ভিস নিতে পারেন।

বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট আন্তর্জাতিক মানের ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট যা ১০ বছরের জন্য বৈধ। ই-পাসপোর্টে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও বায়োমেট্রিক ডাটা সংরক্ষিত থাকে, যা আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, বিদেশে কাজ, এবং বিদেশে শিক্ষার জন্য অপরিহার্য। আমরা পাসপোর্ট অফিসে আপনার প্রতিনিধিত্ব করি — আপনাকে বারবার অফিসে যেতে হয় না।

নতুন পাসপোর্ট তৈরি বা পুরনো পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আজই আবু তালিব স্টুডিওতে যোগাযোগ করুন এবং ঝামেলামুক্ত পাসপোর্ট সেবা গ্রহণ করুন।